Posts

সিঁড়ি পেরিয়ে শিল্পা যখন দোতালয়ের রুমে যাচ্ছিল তখন শিল্পা দেখতে পেল

Image
  ঝরঝর করে বৃষ্টি নেমে পড়ল কিছুক্ষণের মধ্যেই। না চাইতেও বাইকটা দাঁড় করাতে হলো দোকানের মত ঝুপড়ির কাছে। বাইক থেকে নেমে পরল জয় এবং শিল্পা। কতবার বলেছি বাইকে আসবো না আসবো না,,, দেখতো এবার কি অঘটনই না ঘটলো,,,, শিল্পা গলার জোরটা একটু জোরেই বললো। শিল্পার কথায় জয় শিল্পার দিকে তাকিয়ে বলল সকালে যখন বেরিয়েছিলাম তখন তো খুব ভালোই ছিল আকাশটা কে জানে বিকেল না হতে না হতেই এমন বর্ষা নেমে পড়বে। বিকেল তখন পাঁচটা। জঙ্গলের মধ্যে প্রায় ১২ কিলোমিটার বাইক চালানোর পর জয় আর প্রেম করে বিয়ে করা বউ শিল্পার সেদিনের মতন ভ্রমণ ভঙ্গ হল সেইখানে। ওদের যাওয়ার কথা ছিল ওদের বাড়ি বেথুয়া ডহরি থেকে বেনারস অবধি। ৩-৪ দিন বাইকের ট্যুর তারপর বেনারস থাকবে আরো 4-5 দিন। শিল্পা আর জয় সে কলেজের লাইফ থেকে প্রেম করে আসছে তারপর জয়ের চাকরির পর ওরা দুজন বিয়ে করে। সংসারের নানান কাজকর্ম শাশু শাশুড়ির কথা সবকিছু শুনে মাঝে মাঝে ওরা এইভাবে বাইক রাইটে বেরিয়ে পড়ে। আজ সকাল বেলায় বেরিয়েছিল এতদূর ভ্রমণের জন্য। কিন্তু হঠাৎ করেই এমন দুর্যোগ ওরা আশা করেনি। বাইকে করে ওরা দার্জিলিং নেপাল থেকে শুরু করে ভুটান সব জায়গায় ঘুরেছে কি...

এর পর থেকে প্রায় প্রতি রাতে চাকর আমার রুমে চলে আসে।

Image
আমার ২৩ বছর বয়স। ৫ ফুট ৫ ইঞ্চি লম্বা, দুধের সাইজ ৩৫ এবং পাছার সাইজ ৩৬, আর কোমরের সাইজ ২৮, গায়ের রং ফরসা, আর আমার শরীর হালকা মেদ যুক্ত । আমি দেখতে খুবই সুন্দরী। আমার বাবা একজন বড় ব্যবসায়ী। আমি ধনী পরিবারের মেয়ে হওয়ায় ছোটো থেকেই আমার কোনো কিছুর অভাব নেই। বাড়িতে আমারা মোট ৪ জন থাকি ” আমি, আমার বাবা-মা ও আমাদের চাকর”। বাবা সব সময় তার ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকে, তাই তার বাড়ির দিকে দেখার সময় নেই, বলতে গেলে বাড়ির সব কাজই আমাদের চাকরই করে। তাই বাবা তাকে ৫০০০০ টাকা মাইনে দেয়। আমাদের চাকরের বয়স ৫৪ বছর, উচ্চতা ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি, গায়ের রং কালো। আর তাকে দেখতে রোগা পেশিবহুল ও বলিষ্ঠ। তার বউ বহুদিন আগে ক্যান্সারে মারা গেছে। তার দুই মেয়ে আছে, বড় মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে আর ছোটো মেয়ে আমার সমবয়স্ক, যে ব্যাংকে চাকরি করে। আমাদের চাকরের বাড়ি গ্রামে, সে আমাদের বাড়িতে থাকে আর মাসে দুই একবার বাড়ি যায়। আমাদের এক বিধবা চাকরানীও ছিলো, যার নাম মধু। তার বয়স ৩২ বছর, আর তার একটা ১০ বছর বয়সি মেয়ে আছে। আমি তাকে মধুদি বলে ডাকতাম। এক মাস আগে সে কাজ ছেড়ে দিয়ে চলে যায়, আর একজন লোকের সাথে বিয়ে করে। আ...

কোনরকম ভাবে আমি নিচে চলে আসি

Image
আমি পায়েল দাস, বয়স ২২ বছর। আমি M.Sc ফার্স্ট ইয়ারের ছাত্রী। ” আজ যে ঘটনা বলবো সেটা গত বছর এর মে মাসের ঘটনা। ” আমি ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি লম্বা, আমার দুধের সাইজ ৩৪ এবং পাছার সাইজ ৩৫, আর আমার কোমরের সাইজ ২৮, আমি দেখতে খুবই সুন্দরী, আমার গায়ের রং এতটা ফরসা যে হালকা টোকা মারলে লাল হয়ে যায়। আমি মধ্যবিত্ত বাড়ির মেয়ে হলেও বাড়ির একমাত্র মেয়ে তাই আমার কোনো কিছুর অভাব নেই। আমাদের বাড়ি দুতালা। বাড়িতে আমারা মোট ৪ জন থাকি ” আমি, আমার বাবা-মা ও আমার কাকা “। আমার রুম আর কাকুর রুম দুইতলায় পাশাপাশি, এবং মা-বাবার রুম নিচের তলায়। বাবা আর মা দুজনেই ” রেল কর্মকর্তা “। তাই তারা দুজনে সকল হতেই কাজে বেরিয়ে পড়ে আবার রাতে বাড়ি ফেরে। আর আমার কাকু সুদের ব্যবসা করে, তাই সে বেশির ভাগ সময় বাড়িতেই থাকে। আমার কাকুর বয়স ৪৮ বছর, উচ্চতা ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি। সে রোজ সকালে মাঠে গিয়ে দৌড়ায় ও ব্যাম করে, তাই তার শরীর খুবই বলিষ্ঠ। আমার কাকু অবিবাহিত। কারণ কাকুর ইনফার্টিলি রোগ আছে, মানে তার বাবা হওয়ার ক্ষমতা নেই । অনেক ডাক্তার দেখানোর পরেও সমস্যার সমাধান হয়নি। সব ডাক্তারাই বলে দেয়, যে তার এই সমস্যা কখনোই ঠিক হবে না। ত...

লোকটা যেভাবে প্রতিটা জিনিস ধরে ধরে বলছে, সত্যিই মুগ্ধ হয়ে শুনতে হয়!

Image
 কাকভেজা হয়ে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে এটাই দেখবে বলে আশা করছিল সুরঞ্জনা। ওদের ফ্ল্যাটের দরজায় তালা দেওয়া। মানে মা বেরিয়ে গেছে দিদুনের বাড়িতে। ধ্যাত! মেজাজটা খারাপ হয়ে গেল ওর। ওর আজকে কলেজে যেতে ইচ্ছেই করছিল না। কিন্তু বাবার অফিস আর দিদুনের হঠাৎ শরীর খারাপ হওয়ায় মারও আজকে দিদুনের বাড়ি যাওয়ার কথা ছিল। তাই ঠিক হয়েছিল সুরঞ্জনা কে রেডি করে কলেজে পাঠিয়ে মা ফ্ল্যাটে তালা দিয়ে বেরিয়ে যাবে দিদুনের বাড়ি। কলেজের পরই ওর প্রাইভেট ও আছে, তাই কলেজ থেকে বেরিয়ে ডাইরেক্ট পড়তে চলে যাবে ও। আর চাইলে স্কুল ছুটির পর কোনো রেস্টুরেন্টে কিছু খেয়ে নিতে পারে সুরঞ্জনা। সেই মতো টাকা পয়সা দিয়ে ব্যাগ গুছিয়েই মা পাঠিয়েছিল ওকে কলেজে। কিন্তু কলেজে পৌঁছানোর আগেই এলো ঝেঁপে বৃষ্টি। একটা দোকানে শেডে দাঁড়িয়েও বৃষ্টিতে পুরো ভিজে গিয়েছিল ও। সুরঞ্জনা এমনিতে খুবই সেনসিটিভ। অল্পতেই ঠান্ডা কাশি জ্বর হয়ে যায় ওর। তাই সে কলেজে না গিয়ে ফিরে এসেছিল বাড়িতে। মনে ক্ষীণ আশা ছিল হয়তো মা এখনো বেরিয়ে যাবে না। কিন্তু মা যে বেরিয়ে গেছে সেটা তো এখন দেখতে পাচ্ছেই। করিডোরে দাঁড়িয়ে সুরঞ্জনা ভাবছে এখন সে কি করবে। ...